পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত অংশকে কী বলে?
- aইলেকট্রন মেঘ
- bনিউক্লিয়াস
- cশক্তিস্তর
- dকক্ষপথ
১৬৫টি প্রশ্ন · ১৫টি বিভাগ
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত অংশকে কী বলে?
নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে —
নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ পরমাণুর ব্যাসার্ধের প্রায় কত গুণ ছোট?
প্রোটন শুধু দিয়ে নিউক্লিয়াস তৈরি হতে পারে না কেন?
নিউক্লিয়াসে নিউট্রন রাখার মূল ভূমিকা কী?
ইলেকট্রনের ভর প্রোটনের ভরের প্রায় কত ভাগের এক?
পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা বলতে বোঝায় —
নিউক্লিওন সংখ্যা বলতে কী বোঝায়?
একই মৌলের পরমাণুতে নিউট্রন সংখ্যার ভিন্নতা তৈরি করে —
কার্বনের কোন আইসোটোপটি তেজস্ক্রিয়?
প্রোটনসংখ্যা কত অতিক্রম করলে নিউক্লিয়াসগুলো অস্থিতিশীল হতে শুরু করে?
অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস বিকিরণ করে কী অর্জন করতে চায়?
১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রথম প্রমাণ করেন কে?
মেরি কুরি ও পিয়ারে কুরির অবদান কী?
তেজস্ক্রিয়তা কোনো ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয় —
নিম্নোক্ত কোনটি তেজস্ক্রিয়তাকে প্রভাবিত করতে পারে না?
আলফা কণা আসলে কী?
একটি আলফা কণায় প্রোটনের সংখ্যা —
একটি আলফা কণায় নিউট্রনের সংখ্যা —
আলফা কণার চার্জ —
আলফা কণাকে বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় কেন?
নিউক্লিয়াস থেকে বের হওয়ার সময় আলফা কণার শক্তি প্রায় —
আলফা কণা বাতাসে কত দূর পর্যন্ত যেতে পারে?
আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায় —
জিংক সালফাইড পর্দায় আলফা কণা কী সৃষ্টি করে?
আলফা বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা —
আলফা বিকিরণে নিউক্লিওন সংখ্যা —
একটি আলফা কণা বিকিরণ করলে পরিণত হয় —
বাতাসে আলফা কণার গতিপথ —
আলফা কণার আয়নীকরণ ক্ষমতা —
বিটা কণা আসলে কী?
নিউক্লিয়াসের ভেতরে ইলেকট্রন না থাকা সত্ত্বেও বিটা কণা বের হয় কারণ —
বিটা বিকিরণে মোট চার্জ —
বিটা কণার চার্জ —
বিটা কণাকে ইলেকট্রিক ও চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় কারণ —
বিটা কণার ভেদনক্ষমতা আলফা কণার তুলনায় —
বিটা কণাকে সাধারণত থামানো যায় —
বিটা বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা —
বিটা বিকিরণে নিউক্লিওন সংখ্যা —
বিটা বিকিরণে পরিণত হয় —
বিটা বিকিরণের সাথে সাধারণত নির্গত হয় —
পজিট্রন বিকিরণে প্রোটন পরিণত হয় —
পজিট্রন বিকিরণে পারমাণবিক সংখ্যা —
নির্গত বিটা কণার শক্তি একটি নির্দিষ্ট মানে থাকে না কারণ —
গামা রশ্মি আসলে কী?
গামা রশ্মির চার্জ —
গামা রশ্মির বেগ সর্বদা কত?
গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য —
গামা রশ্মি নিঃসরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা —
গামা রশ্মি নিঃসরণে নিউক্লিওন সংখ্যা —
বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে গামা রশ্মিকে প্রভাবিত করা যায় না কেন?
গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত প্রয়োজন —
আলফা/বিটা বিকিরণের পর উদ্বৃত্ত শক্তি কোন রূপে নির্গত হয়?
গামা রশ্মি পদার্থের অণু-পরমাণুকে —
ভেদনক্ষমতার ক্রম (কম → বেশি) —
আয়নীকরণ ক্ষমতার ক্রম (বেশি → কম) —
কোন রশ্মিটি চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না?
সবচেয়ে বেশি ভর কোন কণার?
নির্দিষ্ট শক্তিতে (discrete) নির্গত হয় কোন রশ্মি?
আলফা ও বিটার বিপরীতমুখী বিচ্যুতি হয় কারণ —
কোন বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পরিচয় (পারমাণবিক সংখ্যা) অপরিবর্তিত থাকে?
কোনটি ভরহীন ও চার্জহীন?
নিউট্রিনো/অ্যান্টি-নিউট্রিনোকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিবেচনা না করার কারণ —
নিচের কোনগুলো তেজস্ক্রিয় বিকিরণ?
নিচের কোনটি সঠিক?
একটি তেজস্ক্রিয় নমুনার "অর্ধায়ু" বলতে বোঝায় —
একটি নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াস ঠিক কখন বিকিরণ করবে তা —
অর্ধায়ু হলে, সময় পরে অবশিষ্ট তেজস্ক্রিয় পরমাণুর অনুপাত কত?
অর্ধায়ু হলে, সময় পরে অবশিষ্ট অংশ —
kg ভরের একটি তেজস্ক্রিয় নমুনার অর্ধায়ু বছর। বছর পর নমুনাতে ঐ মৌলের ভর কত?
kg ভরের তেজস্ক্রিয় নমুনার বছর পর ভর g পাওয়া গেল। অর্ধায়ু কত?
g তেজস্ক্রিয় নমুনার অর্ধায়ু বছর। বছর পর অবশিষ্ট তেজস্ক্রিয় মৌলের ভর —
একটি নমুনায় সংখ্যক অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট ভগ্নাংশ —
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটলে মৌলের ভর —
অর্ধায়ু নির্ভর করে —
কোন সম্পর্কটি সঠিক ( = প্রাথমিক, = অর্ধায়ু পরে)?
অর্ধায়ু ছোট হলে তেজস্ক্রিয়তা —
এর অর্ধায়ু ব্যবহার করে কী নির্ণয় করা যায়?
অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট অংশ —
মেডিকেল ট্রেসার হিসেবে ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় পদার্থের অর্ধায়ু সাধারণত —
ক্যান্সার চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয়তা কেন ব্যবহৃত হয়?
প্রাচীন জীবাশ্মের বয়স নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় —
যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করতে তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহারের কারণ —
আগুনে ধোঁয়ার উপস্থিতি নির্ণয়ে (smoke detector) ব্যবহৃত হয় —
খনিজে বিভিন্ন ধাতুর পরিমাণ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় —
শরীরে প্রবেশ করানো তেজস্ক্রিয় ট্রেসার সাধারণ ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা হারায় কারণ —
নিচের কোনগুলো তেজস্ক্রিয়তার ব্যবহার?
দীর্ঘদিন তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে থেকে লিউকেমিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন —
তেজস্ক্রিয়তার অতিরিক্ত মাত্রা শরীরের —
নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর দুর্ঘটনায় উদাহরণস্বরূপ ভয়ংকর ঘটনা —
অনেক নিউক্লিয়ার বর্জ্যের অর্ধায়ু —
তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি সাধারণ মানুষকে জানাতে ব্যবহৃত হয় —
তেজস্ক্রিয়তা বংশ পরম্পরায় জন্ম দিতে পারে —
নিচের কোনগুলো তেজস্ক্রিয়তার ক্ষতিকর দিক?
ইলেকট্রনিকসের ক্রমবিকাশে প্রধান তিনটি স্তর —
এডিসন ক্রিয়া আবিষ্কৃত হয় —
প্রথম ভ্যাকুয়াম টিউব (রেক্টিফায়ার) তৈরি করেন —
প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয় —
বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে রেডিও তরঙ্গ গবেষণায় অবদানের জন্য স্বীকৃত —
প্রথম কমপিউটার ENIAC তৈরি হয় —
ভ্যাকুয়াম টিউবের ভেতরে থাকে —
এডিসন ক্রিয়া বলতে বোঝায় —
ফ্লেমিংয়ের ভ্যাকুয়াম টিউবে ইলেকট্রোডের সংখ্যা —
ফ্লেমিংয়ের ভ্যাকুয়াম টিউব কাজ করত —
তৃতীয় ইলেকট্রোড সংযোজন করে ট্রায়োড তৈরি করেন —
ট্রায়োডকে ব্যবহার করা যেত —
ENIAC কমপিউটারে ব্যবহৃত ভ্যাকুয়াম টিউবের সংখ্যা প্রায় —
ভ্যাকুয়াম টিউবের একটি অসুবিধা —
পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎপ্রবাহকে একদিকে প্রবাহিত করার যন্ত্র —
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান —
ট্রানজিস্টর কাজ করে মূলত —
ট্রানজিস্টরের উপাদান সাধারণত —
ট্রানজিস্টর প্রথম তৈরি হয় —
ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় —
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের সুবিধা নয়?
ট্রানজিস্টর আবিষ্কৃত হওয়ার বছর —
ট্রানজিস্টর প্রধানত কী করতে পারে?
সমন্বিত বর্তনী (IC)-তে একসাথে থাকে —
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট প্রকৃতপক্ষে তৈরি শুরু হয় —
IC-এর মূল উপাদান (Wafer) সাধারণত —
LSI ও VLSI দিয়ে বোঝায় —
কোনো সিলিকন চিপে লক্ষ লক্ষ বর্তনী সংযোজিত হলে তাকে বলে —
FPGA বলতে কী বোঝায়?
ভবিষ্যতের IC-তে তথ্য বিনিময়ে ব্যবহৃত হতে পারে —
সমন্বিত বর্তনী ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির —
মাইক্রোকম্পিউটার, ভিডিও ক্যামেরা, যোগাযোগের উপগ্রহ — এসব যন্ত্র সম্ভব হয়েছে মূলত কারণে —
অ্যানালগ সিগন্যাল হলো —
ডিজিটাল সিগন্যালে তথ্য প্রকাশ করা হয় —
ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসে সাধারণত ব্যবহৃত সংখ্যা পদ্ধতি —
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় কারণ —
বাইনারি সংখ্যায় ব্যবহৃত অঙ্ক —
অ্যানালগ সিগন্যালে নয়েজ (Noise) —
ডিজিটাল সিগন্যালে নয়েজ —
কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ হয় —
শব্দ ও ছবি মূলত কোন ধরনের সিগন্যাল?
অ্যানালগ → ডিজিটাল পরিবর্তনের জন্য করতে হয় —
ইন্টারনেট/কম্পিউটার নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয় —
ডিজিটাল সিগন্যাল প্রক্রিয়ার জন্য বিশেষ ধরনের —
ডিজিটাল সিগন্যালের সুবিধা —
V কে 1 এবং কে 0 ধরা — এটি কীসের ভিত্তি?
সেমিকন্ডাক্টর হলো —
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সেমিকন্ডাক্টর —
সিলিকন পরমাণুর শেষ কক্ষপথে ইলেকট্রন —
সিলিকন কেলাসে প্রত্যেক পরমাণু "মনে করে" তার শেষ কক্ষপথে থাকে —
এটি সম্ভব হয় —
সাধারণ সেমিকন্ডাক্টরে তাপমাত্রা বাড়ালে —
n-ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করতে সিলিকনে মেশানো হয় —
n-ধরনের সেমিকন্ডাক্টরে চার্জ বহনকারী মূলত —
p-ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করতে সিলিকনে মেশানো হয় —
p-ধরনের সেমিকন্ডাক্টরে চার্জ বহনকারী প্রধানত —
"হোল" আসলে কী?
n-ধরনের সেমিকন্ডাক্টরে ডোপান্ট পরমাণু পরিণত হয় —
p-ধরনের সেমিকন্ডাক্টরে ডোপান্ট পরমাণু পরিণত হয় —
বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরে ইলেকট্রনগুলো —
সেমিকন্ডাক্টর যেসব যন্ত্রে ব্যবহৃত হয় —
তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত আলফা কণা কী?
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে যে বিটা রশ্মি নির্গত হয় তা আসলে কী?
সমন্বিত বর্তনীর সুবিধা —
ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার সুবিধাজনক কেন?
একটি নমুনার বছর পর তেজস্ক্রিয় মৌলের ভর প্রাথমিকের অংশ পাওয়া গেলে অর্ধায়ু —
উদ্দীপকে বর্ণিত রশ্মির ভর ইলেকট্রনের সমান ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত — এটি কী?
যে রশ্মি আলোর বেগে চলে এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না, সেটি —
নিচের কোনটি সঠিক?
অ্যানালগ ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসের পার্থক্যে ডিজিটালের সুবিধা —
সেমিকন্ডাক্টর সংক্রান্ত নিচের কোন তথ্য সঠিক?